অবিবাহিত মেয়েদের জন্য কিছু নসিহত

এক ছাত্রী আমাকে বলল, স্যার, অবিবাহিত মেয়েদের জন্য কিছু নসিহত লিখুন। ওমরা সফরের প্রস্তুতি ও মাদ্রাসার ব্যস্ততার কারণে
লিখতে পারছিলাম না। আজকে মাদ্রাসা ছুটি, তাই লিখতে বসেছি। আল্লাহ পাক মেয়েদেরকে আদর ও স্নেহ থাকার জন্য দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন।
একটি মেয়ের লালনপালনের দায়িত্ব তার বাবা, ভাই, স্বামী বা ছেলের উপর থাকে। দুনিয়া সকলের জন্য পরীক্ষাকেন্দ্র। বিয়ের আগের
সময়টুকু মেয়েদের জন্য অনেক সহজ হলেও, বিয়ের পর থেকে তার জন্য প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে মেয়েদের জীবন
এক বড় পরীক্ষা। এখানে কয়েকটি হাদিস বর্ণনা করে মেয়েদের জন্য করণীয় বিষয়গুলো শেষে উল্লেখ করবো, ইনশাআল্লাহ।

একবার আলী রদিয়াল্লাহু আনহু ও ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে দেখা করতে আসেন এবং এসে
দেখেন যে নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাকী বসে কাঁদছেন। আলী রদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার পিতামাতা
আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনি কাদছেন কেনো? নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানালেন, মিরাজের রাত্রিতে আমি আমার উম্মতের
নারীদেরকে জাহান্নামের ভয়ানক আজাবে গ্রেফতার দেখতে পেয়েছি। তারপর নবীজী নারীদের শাস্তির বর্ণনা করলেন, লম্বা হাদিস।

ফাতিমা রদিয়াল্লাহু আনহা তাদের গোনাহ সম্পর্কে জানতে চাইলে নবীজী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারা হলো
১) ঐ নারী যে মাথার চুল খুলে বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয়,
২) ঐ নারী যে তার স্বামীকে কটুকথার মাধ্যমে কষ্ট দেয় এবং স্বামীকে সম্মান করেনা,
৩) ঐ নারী যে বিবাহিত হয়েও পর পুরুষের সাথে সম্পর্ক রাখে,
৪) ঐ নারী যে অপবিত্র হওয়ার পর পবিত্রতা অর্জনে অলসতা করে এবং নামাজ কাজা করে ফেলে (জাহান্নামে এদের চেহারা শুকরের মতো ও
শরীর গাধার মতো হবে),
৫) ঐ নারী যে মিথ্যা কথা বলে এবং গীবত করে (জাহান্নামে এদের মুখ দিয়ে আগুন প্রবেশ করিয়ে পায়খানার রাস্তা দিয়ে বের করা হবে
এবং একজন ফেরেশতা তাকে প্রহার করতে থাকবে) এবং
৬) ঐ নারী যে অন্যের সুখ দেখে হিংসা করে এবং উপকার করে খোঁটা দেয়। (এদের চেহারা কুকুরের মতো হবে)